

Jun 22, 2026
| Kaler Kantho
আগামী ২০৩০ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বছরে অন্তত ২১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৩৭৯ কোটি টাকা, যা মোট জ্বালানি বাজেটের মাত্র ২.২ শতাংশ।
গতকাল রবিবার গ্রিন লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেটে জ্বালানি খাত : নাগরিক সমাজের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনটির যৌথ আয়োজন করে উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি)। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা), ইথিক্যাল ট্রেডিং ইনিশিয়েটিভ (ইটিআই) বাংলাদেশ এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানের মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ক্লিনের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী। আলোচনায় আরো অংশ নেন বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ওয়াসিউর রহমান তন্ময়, ইটিআই বাংলাদেশের পরিচালক মুনীর উদ্দিন শামীম, জলবায়ুুকর্মী ফারাহ আনজুম এবং ক্লিনের নেটওয়ার্কিং অ্যাডভাইজার মনোয়ার মোস্তফা।
বক্তারা বলেন, সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামের ওপর কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও ৮ জুন জারি করা এনবিআরের একটি এসআরও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, এই সুবিধা মূলত বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও পিপিএভিত্তিক প্রকল্পে সীমিত রাখা হয়েছে, ফলে আবাসিক গ্রাহক, কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
বক্তারা আরো জানান, কর-শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ব্যয় ৩০ থেকে ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।
তাঁরা আরো বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল।
News Link: লক্ষ্য অর্জনে বছরে লাগবে ২১,৭৫০ কোটি টাকা